
কাহিনী সংক্ষেপ
বৈকুন্ঠ একজন লেখক, যিনি একমাত্র অবিবাহিত ছোট ভাই, বিধবা মেয়ে ও দীর্ঘদিনের চাকর ঈশেনকে নিয়ে বসবাস করেন। বৈকুন্ঠের লেখার বিষয়বস্তু মূলত সঙ্গীত এবং প্রাচ্য-প্রাশ্চাত্যের সঙ্গীত শাস্ত্রের উৎপত্তি ও ইতিহাস। তবে সংসারের নানা টানাপোড়েনে সহজ সরল ও উদার প্রকৃতির মানুষ বৈকুন্ঠের লেখা শোনার ব্যাপারে পরিবারের সদস্যদের অবহেলা রয়েছে।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ধূর্ত ও সুযোগ সন্ধানী কেদারের আবির্ভাব ঘটে, যে তোষামোদ করে বৈকুন্ঠের লেখা শোনার ভান করে। তার মন জয় করার চেষ্টা করে। উদ্দেশ্য তার অবিবাহিত শ্যালিকার সাথে বৈকুন্ঠের ছোট ভাই অবিনাশের বিয়ে দিয়ে বৈকুন্ঠের বাড়ীতেই আত্মিয়-পরিজন বেষ্টিত হয়ে বসবাস করা এবং শেষ পর্যন্ত তাই ঘটে। ফলে বৈকুন্ঠের পরিবারে নেমে আসে নানা বিপর্যয়।
চাটুকারীতা ও তোষামোদির মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি ও আকাঙ্খাকে চরিতার্থ করার যে প্রবনতা মানব সমাজে রয়েছে তারই সরল ব্যঙ্গাত্মক কাহিনী বর্ণনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘বৈকুণ্ঠের খাতা’ নাটকে। বলাবাহুল্য, এ নাটকের বিষয়বস্তু এ যুগেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।





















